New customer? Create your account OR Forgot password?
Already have a acoount? Login
কারণ: ঘাম ও সেবাম নিঃসরণ বেড়ে যায়, ফলে ত্বক তৈলাক্ত হয়ে পড়ে।
সমাধান:
দিনে ২–৩ বার মাইল্ড ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন (যেমন – টি ট্রি বা নিয়াসিনামাইড যুক্ত)।
অ্যালোভেরা জেল বা জেল-ভিত্তিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
ভারী ক্রিম বা তেলজাত পণ্য এড়িয়ে চলুন।
কারণ: দীর্ঘসময় সূর্যের আলোতে থাকলে UV রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করে।
সমাধান:
বাইরে বের হওয়ার ২০ মিনিট আগে SPF 30 বা তার বেশি সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
পোড়া জায়গায় অ্যালোভেরা জেল বা ঠান্ডা দুধ লাগান।
রোদে বের হলে ছাতা, সানগ্লাস ও টুপি ব্যবহার করুন।
কারণ: ঘাম জমে ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়, ফলে ছোট লাল ফুসকুড়ি হয়।
সমাধান:
দিনে অন্তত ২ বার গোসল করুন এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করুন।
আক্রান্ত স্থানে চন্দন গুঁড়া, ক্যালামাইন লোশন বা অ্যালোভেরা জেল লাগান।
টাইট পোশাক এড়িয়ে সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পরুন।
কারণ: ঘাম ও ধুলাবালি ছিদ্র বন্ধ করে দেয়, ফলে ব্যাকটেরিয়া বেড়ে যায়।
সমাধান:
দিনে দুইবার স্যালিসিলিক অ্যাসিড বা টি ট্রি ওয়েল যুক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন।
সপ্তাহে ১–২ দিন ক্লে মাস্ক (Fuller’s earth, চারকোল) ব্যবহার করুন।
হাত দিয়ে মুখে বারবার স্পর্শ করবেন না।
কারণ: ঘাম ও রোদে পানিশূন্যতা তৈরি হয়।
সমাধান:
প্রচুর পানি, ফলের রস ও ডাবের পানি পান করুন।
রাতে হালকা ময়েশ্চারাইজার বা হাইড্রেটিং সিরাম ব্যবহার করুন।
ঘরে থাকলেও ফেস মিস্ট বা রোজ ওয়াটার স্প্রে করুন।
কারণ: সূর্যের আলোতে মেলানিন উৎপাদন বেড়ে যায়।
সমাধান:
প্রতিদিন সানস্ক্রিন + অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সিরাম (ভিটামিন C) ব্যবহার করুন।
ট্যান দূর করতে বেসন, দই ও লেবুর রসের প্যাক সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করতে পারেন।
রাতে নিয়াসিনামাইড বা লিকোরিস এক্সট্রাক্টযুক্ত ক্রিম ব্যবহার করুন।
প্রতিদিন ৮–১০ গ্লাস পানি পান করুন।
মুখে বারবার হাত না দিন এবং মোবাইল স্ক্রিন পরিষ্কার রাখুন।
হালকা মেকআপ ব্যবহার করুন; ঘামলে সঙ্গে সঙ্গে মুখ মুছে নিন।
ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধোয়া ত্বককে আরাম দেয়।
রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে ত্বককে বিশ্রাম দিন।
চাইলে আমি তোমাকে “গরমে ত্বকের যত্নের দৈনন্দিন রুটিন” (সকাল–দুপুর–রাত ভাগে সাজানো) করে দিতে পারি — যাতে সহজে ফলো করা যায়।
তুমি কি সেটা চাও?